মোট পৃষ্ঠাদর্শন

শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৯

নিসর্গের নিষিদ্ধ ইস্তেহার




এখানে দেখুনঃ 
https://www.academia.edu/38780569/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6_%E0%A6%A7_%E0%A6%87%E0%A6%B8_%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0?fbclid=IwAR3rzG3PQmECP4d7G9vyf-X635Qd5-mOACM7YjDJRt0BTthUebxsX6BgE3Y


আবিশ্ব প্রকাশিত বিশ্বভরা প্রাণ ( বক্তৃতা সংকলন)

নানান পলিটিকাল পার্টির ইস্তেহার দেখতে দেখতে যা বুঝলুম, গোলোকের ওম বাড়া, জলবায়ুর বদল ইত্যাদি নিয়ে কোনো পার্টিরই তেমন মাথাব্যথা নেই।😠 খানিক লিপ সার্ভিস বা কথার কথা আছে বটে, তবে তা গেরাহ্যি করার মতো কিসসু নয়।☠️ অথচ আমাদের সামনে এটাই সবচেয়ে বড়ো বিপদ। 
অগত্যা পার্টিহীন আমি একটা ইস্তেহার আপনাদের কাছে পেশ করলুম। আপনারা দয়া করে বিবেচনা করে দেখবেন।☺️



নতুনের খোঁজে পত্রিকা আয়োজিত বিশ্বভরা প্রাণ শীর্ষক আলোচনাসভায় (৩ জুন, ২০১৮, জাগরী হল, বর্ধমান) প্রদত্ত বক্তিমে

আবিশ্ব প্রকাশিত বিশ্বভরা প্রাণ (বর্ধমান, জানুয়ারী, ২০১৯) সংকলনে প্রকাশিত নিবন্ধের পরিবর্ধিত রূপ  

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০১৯

এবার চিন্তনের কেন্দ্র নবদ্বীপ


View it @goo.gl/Rgi92N
(একটি ভবিষ্যৎত বই-এর খসড়া)

একটা কথায় আমি বড্ডো বিমূঢ় করে—নবদ্বীপ নাকি বাংলার অক্সফোর্ড! আমার পালটা প্রশ্নঃ অক্সফোর্ড কেন বিলেতের নবদ্বীপ নয়? কিন্তু, এ প্রশ্ন আমি কাকে করবো? হনুকরণপ্রিয় বাঙালিদের? যারা এখনো কোলকেতাকে বিলেত বানানোর জন্য বিগবেন ঘড়ি আর লন্ডন আই-এর নকলি তৈরি করতে চায় আর হুগলি নদীকে টেমস! মনে রাখবেন, ন্যায়কল্যানমিত্র বিমলকৃষ্ণ মতিলাল সাহেবদের নবদ্বীপের নব্যন্যায় শিখিয়েছেন বিলেতে বসেই। 
কানা রঘুনাথ এক বিশেষ কারণে পণ করেছিলেন, এবার থেকে আর কেউ নব্যন্যায় পড়তে মিথিলা বা অন্য কোথাও যাবে না। এবার কেন্দ্র নবদ্বীপ। এই দার্ঢ্য কিন্তু আমরা এখন হারিয়ে ফেলেছি। পাড়ার পাশের টোল-দরগা সম্বন্ধে জানিনা, কিন্তু বিলেত-আমেরিকা গিয়ে আমরা দেশের হাঁড়ির খবর জানিয়ে আসি। বিলেত বা সাম চাচার দেশে না গেলে তো গেঁয়ো যোগীর ভিখ পায় না। মোদ্দা কথা আমরা যেটা ভুলে গেছি,
"... আমি তার মুখের কথা শুনব ব’লে গেলাম কোথা,
শোনা হল না, হল না–
আজ ফিরে এসে নিজের দেশে এই-যে শুনি
শুনি তাহার বাণী আপন গানে॥
কে তোরা খুঁজিস তারে কাঙাল বেশে দ্বারে দ্বারে,
দেখা মেলে না, মেলে না–..."
কবীরকেও মনে পড়ে তো! 
मोको कहाँ ढूंढें बन्दे,
मैं तो तेरे पास में
... खोजी होए तुरत मिल जाऊं एक पल की ही तलाश में
कहे कबीर सुनो भाई साधो, मैं तो हूँ शवास में
অথবা লালনঃ
কাশী কি মক্কায় যাবি রে মন, চল রে যাই।
দোটানাতে ঘুরলে পথে সন্ধ্যে বেলায় উপায় নাই।।
         মক্কাতে ধাক্কা খেয়ে 
         যেতে চাও কাশী স্থানে
         এমনি জালে কাল কাটালে
                  ঠিক না মানে কোথা ভাই।।
...
         লালন বলে, সন্ধি জেনে
                  না পেলে জল নদীর ঠাঁই।।
তবুও অন্নদাশংকর রায়ের কথা মোতাবেক যেটা মনে রাখি, “স্বদেশের থেকে স্বকাল বড়ো”। এই এঁদো গলিতে বসেই তাই হিমেনেথের কথাটা মনে মনে জপি, “শিকড়ের ডানা হোক, ডানার শিকড়”! তাই বন্ধুবান্ধব, ছাত্রছাত্রীদের কই, “তুমি কোথায় আছো, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তুমি শত বাধাবিপত্তি স্বত্ত্বেও কি করছো সেটা আমার কাছে খুব দরকারি।” 
এবার লেখাপত্তর নিয়ে কথা কই। লেখার নীলরাঙা শিরোনামে ডেস্কটপের মাউস ক্লিক করলে বা  মোবাইল ফোনে আঙুলের ছোঁয়া দিলেই লেখাগুলো খুলে যাবে।



বৈঠকি আমেজে রঘুনাথ শিরোমণিকে নিয়ে আলোচনা—বলা যেতে পারে, এ হল গিয়ে রঘুনাথের সঙ্গে প্রাথমিক পরিচয়। এই জানান-দেওয়া নিবন্ধে আমি অবশ্যি দুটো বিষয়ে কথা কয়েছিঃ অ) চমস্কির বাক্যতত্ত্বে ফাঁকা ঠাঁই আর “অভাব” পদার্থ (পরের প্রবন্ধগুলোতে এর বিস্তার পাবেন) ; আ) নেতির নেতি (double negation) আর বাংলার না নিয়ে কিছু কথা। 
(এই নিবন্ধটি লেখার সময় হাতের কাছে দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্যেরবঙ্গে নব্যন্যায়চর্চা  কিতাবটি হাতের কাছে ছিলো না। অনেক নবীন তথ্য যোগ হবে তাহলে)                

“স্বত্ব নিয়ে সমস্যার নিবেদন” (On my-ness and economic entitlement)

রঘুনাথ “স্বত্ব” নামের পদার্থ নিয়ে এক আশ্চর্যজনক সমস্যার সূত্রপাত করেছেন। এই “স্বত্ব” নিয়ে কথা কইতে গিয়ে, রঘুনাথের কথাবার্তার সূত্রে আমি মালিকানার সমস্যার কথা কয়েছি মার্ক্স আর অমর্ত্য সেনের হাত ধরে।
এই নিবন্ধ আগের নিবন্ধেরই ইঙ্গ-রূপান্তর হলেও, বিস্তার করেছি অনেকটা—বিশেষত ভাষার মালিকানা আর ভাষিক অধিকারকে সামনে রেখে। আগের বাংলা নিবন্ধে জোর ছিল কেবল জমির মালিকানার ওপর।  

সম্প্রদান- ব্যাকরণ--রাজনীতি-- অর্থনীতি (Political Economy of Sampradana Karaka)

দানের রাজনীতি নিয়ে কথা কৈতে গিয়ে আবার এসে গেছে স্বত্বের কথা। সম্প্রদান কারকের মতো বর্গকে বুঝতে গিয়ে ব্যবহৃত হয়েছে সাহেবি তত্ত্বের পাশাপাশি নবদ্বীপীয় নব্যন্যায়ের তকনিকি কারিকুরি।

"আর 'হরিনামামৃত ব্যাকরণ' পড়া হয়ে উঠলো না" (On Harinamamrita Vyakarana)

শ্রীজীব গোস্বামীর “হরিনামামৃত ব্যাকরণ” কিতাবটা আমি পেয়েছিলুম নবদ্বীপের পাকাটোল লেনের গোপাল চতুস্পাঠী থেকে। ব্যাকরণ পড়ার অছিলায় হরিনাম সংকীর্তন করাই মোদ্দা উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু, পড়তে গিয়ে আমি হতবাক। এযে দেখি দার্শনিক প্রতর্কে ভরপুর চমৎকার এন্টি-গ্রামার! আকরণ আর অনাকরণ মিলেমিশে একাকার। এই নিবন্ধটাকে আরো বিস্তারিত করার ইচ্ছে আছে,


“অভাব” বলে এক পদার্থের কথা আছে ন্যায়-বৈশেষিক দর্শনে। কানা রঘুনাথ সেই বর্গীকরণকে ছানবিন করে পেশ করলেন নবীন তত্ত্ব। এই “অভাব”-কে নিয়েই চমস্কির বাক্যতত্ত্বের একটা বিশেষ ধারনাকে বুঝতে চাইলুমঃ Empty Category Principle(ECP)—বাক্যের মধ্যে ফাঁকা বা উড়ে যাওয়া ঠাঁই।  বাক্যের মানে বুঝতে চমস্কির Logical Form (LF) কাফি নয়, তাই অভাবের তত্ত্ব দিয়ে ওই Silenceme (আমার তৈরি করা একটা পরিভাষা)-কে বুঝে নিতে চাইলুম।   

Review Of the Book: "Sounds Of Silence"

এই Sounds Of Silence বইতে কয়েকজন সাহেবসুবো বিভিন্ন ভাষায় ECP-র প্রয়োগ দেখিয়েছেন, কিন্তু তাঁরা একাধিক চমস্কীয় মডেলে আশ্রয় নেওয়ায় commensurability বা সাধারণ গুণনীয়ক গেছে হারিয়ে। এই কিতাবের সমালোচনায় আমি আবার টেনে আনলুম অভাবের প্রসঙ্গ--।    

আখ্যাতবাদ: ক্রিয়া আর বিভক্তির মানেতত্ত্ব 

রঘুনাথের এই পুঁথিটা নিয়ে এখনো অব্দি কিছু লিখিনি। একটা সময় বাংলা যৌগিক ক্রিয়া (দ্রঃ বাংলা ক্রিয়ার যোজ্যতা ও যৌগিক ক্রিয়ার সমস্যা”) নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এই পুঁথির সন্ধান পাই। অধ্যাপক প্রবাল সেন ইঙ্গভাষায় তর্জমা করেছেন। পুঁথিটা মুলত ক্রিয়া আর তার বিভক্তি নিয়ে। এই ক্রিয়া-বিভক্তিই, খুব সহজ করে কইতে গেলে, রঘুনাথের পরিভাষায় “আখ্যাত”। সংস্কৃত ভাষায় সেসময় ( খ্রিঃ পঞ্চদশ শতক) যে বদলগুলো আসছিলো, যেমন ক্রিয়াপদ ভেঙে সংযুক্ত ক্রিয়ার আবির্ভাব (“পচতি”-র বদলে “পাকম্ করোতি”-- হরিনামামৃত ব্যাকরণ-এ এমন নমুনা শ্রীজীব দিয়েছেন), তা’ নিয়ে যে আলোচনা করেছেন রঘুনাথ এবং নৈয়ায়িক ও বৈয়াকরণিক পূর্বপক্ষ খণ্ডন করেছেন অসম্ভব পারঙ্গমতায়! ক্রিয়ার স্বলক্ষণ নির্দেশ করতে গিয়ে কৃৎপ্রত্যয় আর বিভক্তির মানেগত ভূমিকা দর্শেছেন একই সঙ্গে।    

প্রশ্ন হল গিয়ে এইসব তত্ত্বীয় কচকচি মানুষ আর না-মানুষের আত্যন্তিক দুঃখের নিদান দিতে পারবে তো???

সুকুমার রায়কে মনে করি, “মনবসনের ময়লা ধুতে তত্ত্বকথা সাবান (কিন্তু সাবান মেলে না)” !!!  





শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

কথার ক্রিয়াকর্ম-কিতাবের সমালোচনা



View this document @ https://t.co/889tyPTUcX
1989. Review of The Book: Kathar Kriakarma by Probal Dasgupta. Reviewed by Bhakti P. Mallik.Ray, Sib Narayan ed. Jijnasa, IX:2 (pp. 225-29).


This is my humble tribute to two of my teachers: Lt. Prof. Bhakti P Mallik (1922-2010) and Prof. Probal Dasgupta. As there is no webpage available for uploading this important document, I am hosting this text for all.
Research Interests:

শনিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৮

"তোমারি প্রেরণা পেয়েছি "




1998. নন্দিনী মাহাতো. "তোমারি প্রেরণা পেয়েছি " Sur, Chranjib ed. Alochona Chakra, Collection-11. Aug’98 (pp.15-127) RNI: 69543/87


View it @https://goo.gl/XLTztR


Research Interests: 

"দর্শন অদর্শন-এ বিশ শতক "




২০০০. নন্দিনী মাহাতো. "দর্শন অদর্শন-এ বিশ শতক ". Sur, Chranjib ed. Alochona Chakra, Collection-14. Jan’00 (pp.92-102) RNI: 69543/87





Research Interests: 

বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮

মূল, মৌল, মৌলিক আর মৌলবাদ নিয়ে কিছু ফান্ডা


মূল, মৌল, মৌলিক আর মৌলবাদ নিয়ে কিছু ফান্ডা



আমি নানান সময়ে বলে ফেলি যে নাকি আমার নানান বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান আছে,
আমার অমুক বিষয়ে ফান্ডামেন্টাল নলেজ আছে,
ওনার ফান্ডা এ ব্যাপারে দুর্ধর্ষ,
অথবা, শুনি উনি নাকি অমুক বিষয়ের মূল ধরে নাড়া দিয়েছেন,
মনে করি আমার ঘড়িটাই একমাত্র ঠিকঠাক চলছে,
অন্যের ঘড়ি ভুলভাল। 

অথচ আমি নাকি মৌলবাদী নই.
ফান্ডা থাকলেও ফান্ডামেন্টালিস্ট নই,
কেননা আমি তো জ্ঞানের ফাউন্ডেশন ধরে ফেলেছি!
আমাদের এই নিজস্ব মৌলবাদ নিয়েই অন্যদের বলি মৌলবাদী। 

আমাদের এইসব না-খেয়াল-করা মৌলবাদের বিপ্রতীপে পাড়া যায় নাকি  কোনো সহিষ্ণুতার রাজনীতির কথা? 

নিরীশ্বর অনেকান্তাবাদের অনুষঙ্গে কয়েকটা অনেকান্ত (ন+এক+অন্ত) লীলেখেলার প্রস্তাব রাখছি ইয়ে যাকে বলে রুলস অফ দি গেম(স):

১. মনোভঙ্গিমা/মনোপ্রতিন্যাসগত লীলেখেলা: আপনার মতামত আমার পছন্দ নয়, কিন্তু তা বলে আপনাকে "বর্জন" নয়, আপনাকে "ত্যাগ" দেওয়া নয়, আপনার মতামতকে একটি বৈধ "সম্ভাবনা" ধরে নিয়ে "স্বীকৃতি" (=লেজিটিমেট পসিবিলিটি) দিয়ে শুধু বলবো, "আমি আপনাকে অস্বীকৃতিগ্রহণ (ন+স্বীকৃতি+গ্রহণ) করলাম।" আর যদি মতে মেলে তাহলে অবশ্যই স্বীকৃতিগ্রহণ করবো আর সেটাই কমিটমেন্ট! এটা সহিষ্ণুতার রাজনীতির প্রথম পাঠ ।

২. পদ্ধতিগত লীলেখেলা বা তক্কো করার তরিকা :
(ক) অন্যের মতামত, যাকে বলবো "পূর্বপক্ষ", খন্ডন না করে কেউ স্বপক্ষ বা "উত্তরপক্ষ" বা নিজ-মতামত ব্যক্ত করতে পারবেন না।
(খ) নানান বিষয়ে নানানভাবে ঝগড়া হতেই পারে, তবে শ্রেষ্ঠ ঝগড়া হলো গিয়ে "বাদ": শুধুমাত্র তত্ত্বজিজ্ঞাসার জন্য হারাজেতাহীন সংলাপ; মাঝারিমাপের ঝগড়ায় হারাজেতার ব্যাপার থাকে--সে ঝগড়ার নাম "জল্প"; আর ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে, খিস্তিখেউড় করে, পরস্পর মাথাফাটি করে ঝগড়ার নাম "বিতন্ডা"। "জল্প" আর "বিতন্ডা"-কে অস্বীকৃতিগ্রহণ (ন+স্বীকৃতি+গ্রহণ) করলাম।

এমন প্রতর্কনির্ভর সংলাপী সমাজ বানাতে আমরা রাজি আছি কি?
অর্থাৎ ডায়ালগের বদলে অনেকান্ত পলিলগ?

৩. ধরা যাক ক, , গ--এই তিনটে প্রতিযোগী বা পরস্পরবিরোধী তত্ত্ব অথবা উপকল্প (হাইপোথেসেস) আছে কোনো এক বিষয়ে। চেষ্টা করবো এইসব প্রতিযোগী বা বিরোধী তত্ত্বের মার্জিনস অফ এররস বের করে ক দিয়ে খ-এর পুনরবলোকন, গ দিয়ে খ-এর ইত্যাদি। বাতিল করবো না কাউকে ফালতু বলে, কিন্তু পূর্ণ সত্যের বা মিথ্যের দাবি উঠলেই তাকে এড়িয়ে যাবো, কেননা আমি তো

একটাই পূর্ণ সত্য জানি যে পূর্ণ সত্য বলে কিস্সু নেই!

[ কমুনিসরা আলিপুর জেলে বন্দি। হঠাৎ ভূমিকম্পে কারাগারের প্রাচীর গেলো ভেঙে। কমুনিসরা মিটিং-এ বসলেন। প্রশ্ন: "এ সময় জেল ছেড়ে পালানো প্রতিবিপ্লবী প্রতিক্রিয়াশীল কাজ হবে নাকি তা বিপ্লবে ইন্ধন দেবে ?" তক্কো শেষ হবার অনেক আগেই 'কল্যাণকামী' রাষ্ট্র পাঁচিল বানিয়ে ফেললো!]

#

এইরকম কিছু লেখাপত্তর, আমার ভাবনা, এখানে সাজিয়ে দিলুম।
(সবকটা নীলরাঙা  শিরোনাম হাইপারলিঙ্কড--ছুঁলেই খুলে যাবে!)

·        

·                     Foregrounding Fundamentalism, Foreclosing Fundamentalism



·                     “Little Boxes: (Il)logic(s) of Truth-Room(s)"



·                     “Chomsky and Habermas via Nyaya Theory of Debating”.



·                     শেষ মহাআখ্যান [Last Metanarrative].

·                    হায় রাম!

·                    Scraps on Indian Atheism

শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৮

কবিতার শবব্যবচ্ছেদ





কবিতার শবব্যবচ্ছেদ
করেছে
কবিতার সুপারি কিলার: দেবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়


Debaprasad Bandyopadhyay-এর মতো কবিতার মড়াকাটা ডোমেদের দেখেই  এমন কবিতা লিখেছেন জীবনানন্দ:

"'বরং নিজেই তুমি লেখো নাকো একটি কবিতা—'
বলিলাম ম্লান হেসে; ছায়াপিণ্ড দিলো না উত্তর;
বুঝিলাম সে তো কবি নয়সে যে আরূঢ় ভণিতা:
পাণ্ডুলিপি, ভাষ্য, টীকা, কালি আর কলমের 'পর
সে আছে সিংহাসনেকবি নয়অজর, অক্ষর
অধ্যাপক, দাঁত নেইচোখে তার অক্ষম পিঁচুটি;
বেতন হাজার টাকা মাসেআর হাজার দেড়েক
পাওয়া যায় মৃত সব কবিদের মাংস কৃমি খুঁটি;
যদিও সে সব কবি ক্ষুধা প্রেম আগুনের সেঁক
চেয়েছিলোহাঙরের ঢেউয়ে খেয়েছিলো লুটোপুটি।"

নিচে  Debaprasad Bandyopadhyay-এর কবিতার খুনখারাপি, ধর্ষণ, মারামারি ইত্যাদি অপকম্মের লিস্টি দেওয়া হলো।


(সবকটা নীলরাঙা  শিরোনাম হাইপারলিঙ্কড--ছুঁলেই খুলে যাবে!)